সেতু শুধুমাত্র দুটি স্থানকে সংযুক্ত করে না—এরা আমাদের এক সবুজ, টেকসই ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাওয়ার পথপ্রদর্শক। বিশ্বজুড়ে উদ্ভাবনী ডিজাইন, রিসাইকেলকৃত উপকরণ, এবং নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার করে নির্মিত সেতুবন্ধনগুলো একদিকে পরিবেশের ওপর থেকে নেতিবাচক প্রভাব কমাতে সহায়ক, অন্যদিকে তা আমাদের দৈনন্দিন যাতায়াতকে আরও টেকসই করে তোলে। আজকের নিবন্ধে আমরা এমন ১০টি সেতু তুলে ধরছি, যা প্রাণীজগত, মানব সমাজ এবং নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে একত্রে এনে পরিবেশবান্ধব নির্মাণের আদর্শ উদাহরণ হিসেবে আনা হয়েছে। প্রতিটি সেতু হোক হাঁটাহাঁটি, গাড়ি কিংবা বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচলের মাধ্যম—প্রতিটি ক্রসিং আমাদের এক টানা পা হিসেবে কাজ করে এক স্বাস্থ্যকর এবং সবুজ পৃথিবীর দিক।
১. কুরিলপা ব্রিজ, অস্ট্রেলিয়া
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.৩ মাইল (০.৪৭ কিমি) ব্রিসবেন নদীর উপর ৪৭০ মিটার বিস্তীর্ণ কুরিলপা ব্রিজ হল বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ পায়ে হেঁটে চলার সেতু, যা ২০০৯ সালে উদ্বোধিত হয়। এর টেনসেগ্রিটি নকশা, যা এক জালে বাঁধার মত দেখায়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সমসাময়িক প্রযুক্তির মেলবন্ধন হিসেবে মনোমুগ্ধকর। ৮৪টি সৌর প্যানেলের মাধ্যমে এই সেতুটি প্রতিদিন প্রায় ১০০ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, যার অতিরিক্ত অংশ গ্রিডে ফেরত পাঠানো হয়। এই সেতুটি শুধুমাত্র নগরের যানবাহনের নির্গমন কমাতে সাহায্য করে না, বরং ব্রিসবেনের ঘনবসতিপূর্ণ শহুরে কেন্দ্রস্থলে হাঁটার প্রেরণা যোগায়, যা প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৩০,০০০ পথচারীকে সেবা প্রদান করে। হালকা ওজনের স্টিল ব্যবহার করে নির্মিত এই স্বল্প উপকরণ বিশিষ্ট সেতুটি পরিবেশগত দিক থেকে অত্যন্ত কার্যকর এবং সমসাময়িক স্থাপত্যশিল্পের এক উদ্ভাবনী মডেল হিসেবে চিহ্নিত।
২. ইস্টার ডাউইক ব্রিজ, স্কটল্যান্ড
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.১ মাইল (০.১৬ কিমি) পীবলসে অবস্থিত ইস্টার ডাউইক ব্রিজ হচ্ছে সমগ্র বিশ্বের সেই একমাত্র যানবাহন সেতু যা সম্পূর্ণরূপে রিসাইকেলকৃত প্লাস্টিক দিয়ে নির্মিত। ২০২১ সালে উদ্বোধিত এই ১৬০ মিটার দীর্ঘ সেতুটি প্রায় ১00,০০০ পাউন্ড বর্জ্য—যেমন বোতল এবং গাড়ির অংশ—কে পুনরায় ব্যবহার করে এমন একটি টেকসই এবং ক্ষয়প্রতিরোধী কাঠামো তৈরি করেছে, যা ৮৮,০০০ পাউন্ডের ওজন সাপোর্ট করতে সক্ষম। কোন রঙের প্রলেপ বা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয় না, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদে খরচ এবং কার্বন নির্গমন হ্রাস পায়। স্থানীয় যানবাহনের জন্য নির্ধারিত এই সেতুটি বর্জ্য প্লাস্টিককে ভূমিতে জমে যাওয়া থেকে বিরত রেখে, পরিপূরক বৃত্তাকার অর্থনীতির উদাহরণ হিসেবে কাজ করে এবং গ্রামাঞ্চলে টেকসই অবকাঠামোর নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
৩. ইকো-লিঙ্ক@BKE, সিঙ্গাপুর
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.০৪ মাইল (০.০৬২ কিমি) ২০১৩ সালে উদ্বোধিত ইকো-লিঙ্ক@BKE, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম বন্যপ্রাণী সেতু হিসেবে খ্যাত, বুকে তিমাহ এবং সেন্ট্রাল ক্যাচমেন্ট নেচার রেজার্ভসকে পুনরায় একত্রীকরণ করতে সাহায্য করে। ৬২ মিটার দীর্ঘ এই সবুজ ও স্বচ্ছাত্বাপূর্ণ ওভারপাসটি বুকে তিমাহ এক্সপ্রেসওয়ে পার হয়ে চলাচলরত প্রাণীদের—যেমন প্যানগোলিন ও সিভেট—নিরাপদে চলার সুযোগ করে দেয়, যার ফলে বন্যপ্রাণীর বাসস্থান ও জীবনচক্র বজায় থাকে। রাতের বেলায় ব্যাট ডিটেক্টর দ্বারা পরিবেষ্টিত এই সেতুটি গবেষকদের জন্য মূল্যবান তথ্য প্রদান করে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেহেতু এটি মানুষের যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা হয় না, তাই গাড়ি ও পশু সংঘর্ষ এড়িয়ে চলা যায় এবং পরিবেশের বিভাজন কমে যায়। এই সবুজ নকশা স্থানীয় উদ্ভিদ ব্যবহার করে বনভূমির সাথে মিলে যায়, যা সিঙ্গাপুরের সবুজ দৃষ্টিভঙ্গির এক বিজয়ী উদাহরণ।
৪. লিন কভ্ভায়াডাক্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.২ মাইল (০.৩০ কিমি) উত্তর ক্যারোলিনার ব্লু রিজ পার্কওয়ের উপর গ্র্যান্ডফাদার মাউন্টেনের কোণে বাঁকা এই ৩০০ মিটার দীর্ঘ লিন কভ্ভায়াডাক্ট ১৯৮৭ সালে সম্পন্ন হয়। এই কংক্রিট সেগমেন্টাল সেতুটি সাতটি স্তম্ভের মাধ্যমে আগমনবহুল রাস্তাকে “তরল” অবস্থায় ধরে রাখে, যাতে বিন্যাসের সময় প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি না হয়। নির্মাণের সময় কোন রাস্তা তৈরি না করে, সেতুটি পরিবেশের উপর কম প্রভাব ফেলে। প্রতি বছর প্রায় ১.৫ মিলিয়ন যানবাহনের সহায়তায়, এই সেতুটি শুধু পর্যটকদের জন্য মনোমুগ্ধকর দৃশ্য প্রদান করে না, বরং পর্বত অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রিকাস্ট সেগমেন্ট ব্যবহার করে নির্মিত, যা নির্মাণের সময় উপকরণ অপচয় কমায়, এই সেতুটি আমেরিকার সবুজ নির্মাণের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে স্বীকৃত।
৫. লিভিং রুট ব্রিজ, ভারত
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.03 মাইল (০.05 কিমি) মেঘালয়ের ক্ষী এবং জৈন্তিয়া হিলসে পাওয়া যায় লিভিং রুট ব্রিজ, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বেঁচে থাকা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অদ্বিতীয় নিদর্শন। স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়ের হাতে, রাবার গাছের ফলমূলসহ শিকড়গুলোকে বুনে এই জীবন্ত সেতুগুলো ৫০ মিটার দীর্ঘ হয়ে ওঠে এবং কোনো কংক্রিট, স্টিল বা অন্য কোন কৃত্রিম উপাদানের প্রয়োজন হয় না। এই প্রাকৃতিক নকশা প্রতিবার সময়ের সাথে আরও মজবুত হয়ে উঠে, কার্বন নিরপেক্ষতার পাশাপাশি বাতাস থেকে CO₂ শোষণের মাধ্যমে পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্থানীয় পথচারীদের এবং গ্রাম্য সম্প্রদায়ের জন্য এ সেতুগুলো টেকসই যাতায়াতের দিকনির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে এবং বনভূমির জীববৈচিত্র্য বাড়াতে সাহায্য করে।
৬. টারলেট ইকোডাক্ট, নেদারল্যান্ডস
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.০৫ মাইল (০.০৮ কিমি) নেদারল্যান্ডসের আর্ণহেমের কাছে অবস্থিত ৮০ মিটার দীর্ঘ টারলেট ইকোডাক্ট, ১৯৮৮ সালে নির্মিত, যা ভেলিউ পর্বতারোপ অঞ্চলের ঘন বন থেকে নির্গত হস্তক্ষেপ কমিয়ে বন্যপ্রাণীদের চলাচলের পথ সুগম করে। এই সেতুটি শুধুমাত্র যানবাহনের জন্য নয়, বরং হরিণ, শূকর ও অন্যান্য ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীদের নিরাপদ পারাপারে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে, ছয় বছরের মধ্যে এখানে তিনটি হরিণ প্রজাতির উপস্থিতি লিপিবদ্ধ হয়, যা সড়ক দুর্ঘটনার পরিমাণে ৭০% পর্যন্ত হ্রাস ঘটিয়েছে। নাগরিক ব্যবহারের বাইরে, এই সবুজ ডিজাইন পরিবেশের সাথে একাত্ম হওয়ার এক আদর্শ উদাহরণ, যা সামগ্রিক পরিবেশগত অখণ্ডতা বজায় রাখতে সহায়ক।
৭. লাগোনা গারজোন ব্রিজ, উরুগুয়ে
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.2 মাইল (০.3 কিমি) রাফায়েল ভিন্নলি দ্বারা নকশাকৃত লাগোনা গারজোন ব্রিজ, ২০১৫ সালে উদ্বোধিত, উরুগুয়ের Laguna Garzón-এ অবস্থিত। ৩০০ মিটার বিস্তীর্ণ এই বৃত্তাকার সেতুটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে মোটা ট্রাফিক কমে যায় এবং পরিবেশগত পরিস্থিতি সংরক্ষিত থাকে। সেতুর রিং আকৃতি ছায়া কমিয়ে আনে, যার ফলে জলজ জীববৈচিত্র্য এবং ঐ অঞ্চলের প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষিত থাকে। পূর্বের পুরনো রাফ্ট সিস্টেমের পরিবর্তে নির্মিত এই সেতুটি, পুনর্ব্যবহারকৃত স্টিল ব্যবহার করে নির্মিত হওয়ায় কার্বন নির্গমন কমিয়ে দেয়। দৈনিক প্রায় ১,০০০ যানবাহন ব্যবহার করলেও, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উচ্চ সমর্থন এবং পরিবেশগত দিক থেকে এটির গুরুত্ব স্পষ্ট। পাশাপাশি, পথচারীদের জন্য নির্ধারিত পায়ে হাঁটার পথও তৈরি করে, যা পরিবেশ বান্ধব যাতায়াতকে উৎসাহিত করে।
৮. শিলারব্রুক, জার্মানি
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.05 মাইল (০.086 কিমি) গ্যাগেনাউ নামক জার্মান শহরে অবস্থিত ৮৬ মিটার স্থায়ী শিলারব্রুক সেতুটি, ২০১১ সালে আধুনিকীকরণের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব উপাদানের ব্যবহার নিশ্চিত করে। এই সেতুর সুপারস্ট্রাকচারে ব্যবহৃত অ্যানোডাইজড অ্যালুমিনিয়াম এমন উপাদান, যা ১০০% পুনর্ব্যবহারযোগ্য এবং দীর্ঘ সময় ধরে কম রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয়। অল্পমাত্রার ওয়েল্ড সীম দিয়ে তৈরি এই নকশা, গঠনগত চাপ হ্রাস করে এবং সেতুর কার্যক্ষমতা বাড়ায়। স্থানীয় যানবাহনের সেবা প্রদান করার পাশাপাশি, শিলারব্রুকের ন্যারো ওজন এবং কম নির্মাণশক্তি খরচ পরিবেশের প্রতি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা এক আধুনিক নগরায়ন ও টেকসই অবকাঠামোর নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।
৯. কোস্টাল ক্লাব টিম্বার ব্রিজ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.1 মাইল (০.16 কিমি) জর্জিয়ার কোস্টাল ক্লাব অঞ্চলে অবস্থিত এই ১৬০ মিটার দীর্ঘ টিimber ব্রিজটি ২০২০ সালে নির্মিত হয়, যা পুরনো ও অবনমিত স্টিল সেতুকে প্রতিস্থাপন করে। FSC-সার্টিফাইড, সাসটেইনেবল কাঠ ব্যবহার করে নির্মিত এই সেতুটি পরিবেশের উপরে পতিত কার্বন নির্গমনকে কম করার পাশাপাশি, রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে কম খরচ ও কম অপচয় নিশ্চিত করে। নদীর উপত্যকা ও জলাশয়ের বাস্তুতন্ত্রের উপর কোন প্রকার বিঘ্ন সৃষ্টি না করেই, উপরে উঠে নির্মাণের পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে, যা পরিবেশবান্ধব কাঠামোর এক আদর্শ উদাহরণ হিসেবে কাজ করে। এই টিম্বার সেতুটির কার্বন নিরপেক্ষ প্রোফাইল স্থানীয় কমিউনিটির মধ্যে প্রশংসিত এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
১০. বানফ ওয়াইল্ডলাইফ ক্রসিংস, কানাডা
দৈর্ঘ্য: প্রায় ০.5 মাইল (০.8 কিমি) বানফ ন্যাশনাল পার্কের হৃদয়ে, ট্রান্স-কানাডা হাইওয়ের উপর অবস্থিত ২৪টি বন্যপ্রাণী ওভারপাসের নেটওয়ার্ক মিলিয়ে প্রায় ৮০০ মিটার বিস্তৃত এই ব্যবস্থা বন্যপ্রাণীদের নিরাপদে চলাচলের সুযোগ করে দেয়। এই সবুজ সেতুগুলো, যার মাধ্যমে ভালুক, মূস, এল্ক এবং অন্যান্য বৃহৎ প্রাণী নির্ভরযোগ্যভাবে গাড়ির চলাচলের ঝুঁকি থেকে মুক্তি পায়, জিনগত বিচ্ছিন্নতা প্রতিরোধ করে এবং দুর্ঘটনার পরিমাণে ৮০% এর মতো বৈপ্লবিক হ্রাস ঘটায়। সবুজ ও নিজস্ব উদ্ভিদ ব্যবহার করে প্রতিটি ওভারপাস প্রকৃতির সাথে যেন একাত্মতা সৃষ্টি করে, যা একটি টেকসই পরিবেশ নির্মাণে সহায়ক। এই প্রকল্পটি বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব সেতুবন্ধন ব্যবস্থার অন্যতম মডেল হিসেবে পরিচিত, যা পর্যটকদের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উপসংহার
এই ১০টি পরিবেশবান্ধব সেতুবন্ধন কেবল ভৌগোলিক বিভাজন কাটিয়ে দুই স্থানকে নয়, বরং পরিবেশের সাথে মানব সভ্যতার সুস্থ ও টেকসই সম্পৃক্ততার এক অনন্য মডেল তৈরি করে। প্রতিটি সেতু—হোক তা সৌরশক্তিতে চালিত, রিসাইকেলকৃত উপাদানে নির্মিত, অথবা জীবন্ত প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত—প্রমাণ করে যে টেকসই উন্নয়ন এবং শক্তির সমন্বয় কেবল একটি স্বপ্ন নয়, বরং বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমাদের পৌঁছে দিতে পারে। আধুনিক প্রযুক্তি ও নকশা, স্থানীয় ঐতিহ্য ও পরিবেশ সতর্কতার সমন্বয়ে এই সেতুগুলো নগরায়ন, পর্বতাঞ্চল কিংবা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে অপরিসীম অবদান রাখে।
যখনই আমরা এই সেতুগুলোর মধ্য দিয়ে অতিক্রম করি, তখন তা শুধু স্থানিক সংযোগকারী মাধ্যম নয়, বরং এক নতুন দিগন্তে পদার্পণের এক প্রতীক—যেখানে সবুজ পৃথিবীর প্রতি আমাদের ভালবাসা এবং জাগতিক দায়িত্ববোধ পরিলক্ষিত হয়। আপনার পরবর্তী টেকসই যাত্রাপথের স্মরণীয় অভিজ্ঞতা শুরু হোক এই পরিবেশবান্ধব সেতুগুলোর এক্সপ্লোরেশন দিয়ে, যা প্রতিটি ক্রসিংকে এক স্বাস্থ্যকর, সবুজ ভবিষ্যতের দিকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়।
লেখক পরিচিতি
মারুফ রহমান রূপসা টায়ার্সের পরিচালক এবং আইটি ও মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ। তিনি সড়ক, পরিবহন ব্যবস্থা ও যানবাহন সম্পর্কিত বিষয়ে নিয়মিত লিখেন। তার বিশেষ আগ্রহের বিষয়বস্তু পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, ইতিহাস, পর্যটন ও সড়ক নিরাপত্তা। তার লেখনীতে সড়ক নিরাপত্তা ও যানবাহনের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। তার লেখার মাধ্যমে সড়ক ও পরিবহন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন।
Connect with Maruf:
Facebook | X (Twitter) | LinkedIn | Medium

This text appears to be an address in Bangladesh, specifically in Dhaka. It’s interesting to see how addresses are structured in different countries. I wonder if the 7th floor is a common feature in buildings in Banani. The area seems quite developed, given the mention of a specific block and road. How accessible is this location for visitors? I’d love to know more about the significance of Sonargaon in this context. Is it a historical or commercial area?
We’ve integrated libersave into our regional voucher system. It’s amazing how easily it allows us to combine various providers on a single platform.
This address in Dhaka seems quite detailed, which makes it easy to locate. I’m curious, is Banani a popular area for businesses or more residential? The mention of the 7th floor makes me wonder if high-rise buildings are common there. Sonargaon sounds intriguing—is it known for its history or is it more of a modern hub? I’d love to know how this area contributes to Dhaka’s overall development. Also, how convenient is it for tourists or visitors to navigate this part of the city? Would you recommend exploring Banani for someone visiting Dhaka for the first time? We’ve integrated libersave into our regional voucher system. It’s amazing how easily it allows us to combine various providers on a single platform.
https://shorturl.fm/sXZ5S
https://shorturl.fm/2Rluz
Sign up and turn your connections into cash—join our affiliate program!
Become our partner and turn referrals into revenue—join now!
Boost your profits with our affiliate program—apply today!