flexile-white-logo

[৮ অক্টোবর ২০১৮]

প্রাথমিক

১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

  • ধারা ১(১): এই আইন সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত হবে।
  • ধারা ১(২): সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত তারিখে এটি কার্যকর হবে।
    দ্রষ্টব্য: এই আইন ১ নভেম্বর ২০১৯ থেকে এসআরও নং ৩৩৩-আইন/২০১৯ অনুসারে কার্যকর হয়েছে।

২. সংজ্ঞা

ধারা ২-এ এই আইনে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ও পদের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। কিছু উল্লেখযোগ্য সংজ্ঞা নিম্নরূপ:

  • মোটরযান: যান্ত্রিকভাবে চালিত যান যা সড়ক, মহাসড়ক বা সর্বজনীন স্থানে ব্যবহারের জন্য তৈরি।
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স: কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারি করা নথি যা মোটরযান চালানোর অনুমতি দেয়।
  • গণপরিবহন: ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত মোটরযান।
  • ট্রাফিক সংকেত: সড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন, সংকেত বা যন্ত্র।
  • কর্তৃপক্ষ: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

৩. এই আইনের প্রয়োগ

  • ধারা ৩: এই আইন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৭ এবং অন্যান্য সম্পর্কিত আইনের পরিপূরক হিসেবে কার্যকর হবে।

 

অধ্যায় ২: ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ইত্যাদি

৪. ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান চালানোর নিষেধাজ্ঞা

  • কোনো ব্যক্তি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স ছাড়া সর্বজনীন স্থানে মোটরযান চালাতে পারবেন না।
  • লাইসেন্সের শ্রেণি বা বিভাগ অনুযায়ী নির্দিষ্ট ধরনের যান চালানোর অনুমতি প্রযোজ্য।

৫. গণপরিবহন পরিচালনার জন্য অনুমতি

  • গণপরিবহন চালানোর জন্য কর্তৃপক্ষের জারি করা অনুমতি প্রয়োজন।
  • এই অনুমতি জারির পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।

৬. ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু, নবায়ন, ঠিকানা পরিবর্তন

  • আবেদন প্রক্রিয়া: নির্ধারিত ফি, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ফর্মে আবেদন।
  • শর্তাবলী:
    • অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর, পেশাদারের জন্য ২১ বছর।
    • অষ্টম শ্রেণি বা সমতুল্য শিক্ষাগত যোগ্যতা।
    • শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং চালনা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
  • লাইসেন্স হস্তান্তরযোগ্য নয়, নির্দিষ্ট মেয়াদে জারি ও নবায়নযোগ্য।
  • ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ৩ মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

৭. শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তির জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স

  • প্রতিবন্ধী-বান্ধব মোটরযান চালানোর জন্য বিশেষ মূল্যায়নের ভিত্তিতে লাইসেন্স জারি করা যেতে পারে।

৮. প্রতিরক্ষা বাহিনীর মোটরযানের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স

  • প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিজস্ব পদ্ধতিতে লাইসেন্স জারি করা যাবে, তবে ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক যানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
  • ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বাহিনীর সদস্যদের বিশেষ শর্তে বাণিজ্যিক লাইসেন্স দেওয়া যেতে পারে।

৯. বিদেশী নাগরিকের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স

  • বিদেশী লাইসেন্সধারী নাগরিক তাদের লাইসেন্সের বৈধতার মেয়াদে বাংলাদেশে যান চালাতে পারবেন।
  • তারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বাংলাদেশে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন।

১০. কর্তৃপক্ষ ছাড়া লাইসেন্স তৈরি বা ইস্যুর নিষেধাজ্ঞা

  • কর্তৃপক্ষ ব্যতীত অন্য কেউ ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি, ইস্যু বা নবায়ন করতে পারবে না।

১১. পয়েন্ট বরাদ্দ, কর্তন ইত্যাদি

  • লাইসেন্সধারীদের অপরাধের জন্য ডিমেরিট পয়েন্ট কর্তনের বিধান রয়েছে।
  • পয়েন্ট ব্যবস্থাপনা বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।

১২. লাইসেন্স বাতিল, স্থগিতকরণ বা প্রত্যাহার

  • শারীরিক/মানসিক অযোগ্যতা, অপরাধ বা বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত করা যেতে পারে।

১৩. মোটরযান চালক নিয়োগের শর্ত

  • চালক নিয়োগের জন্য নির্ধারিত শর্তাবলী বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

অধ্যায় ৩: কন্ডাক্টরের লাইসেন্স

১৪. কন্ডাক্টরের লাইসেন্স

  • গণপরিবহনে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করতে বৈধ লাইসেন্স প্রয়োজন।
  • লাইসেন্স ইস্যু, নবায়ন ও শর্তাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত।

১৫. কন্ডাক্টর নিয়োগ

  • কন্ডাক্টর নিয়োগের শর্ত ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

অধ্যায় ৪: মোটরযান নিবন্ধন

১৬. মোটরযান নিবন্ধন

  • সর্বজনীন স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
  • নিবন্ধন প্রক্রিয়া বিধি দ্বারা নির্ধারিত।

১৭. জাল নিবন্ধন নম্বর ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা

  • জাল নম্বর বা প্লেট ব্যবহার নিষিদ্ধ।

১৮. অস্থায়ী নিবন্ধন

  • নির্দিষ্ট শর্তে অস্থায়ী নিবন্ধন জারি করা যেতে পারে।

১৯. নিবন্ধনের স্থান

  • নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় সম্পন্ন হবে।

২০. মোটরযান প্রদর্শন

  • নিবন্ধন নম্বর ও প্লেট সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

২১. মালিকানা পরিবর্তন

  • মালিকানা হস্তান্তরের ৩০ দিনের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

২২. কিস্তিতে ক্রয় চুক্তি

  • কিস্তিতে ক্রয়কৃত যানের নিবন্ধন বিশেষ বিধান অনুযায়ী হবে।

২৩. মোটরযানের সংখ্যা নির্ধারণ

  • কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট এলাকায় যানের সংখ্যা সীমিত করতে পারে।

২৪. নিবন্ধন স্থগিতকরণ/বাতিল

  • বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিবন্ধন স্থগিত বা বাতিল করা যেতে পারে।

২৫. মোটরযানের উপযুক্ততা

  • যানের উপযুক্ততা নিশ্চিত করতে সার্টিফিকেট প্রয়োজন।

২৬. ট্যাক্স টোকেন

  • বৈধ ট্যাক্স টোকেন ছাড়া যান চালানো নিষিদ্ধ।

অধ্যায় ৫: পরিবহন কমিটি, রুট পারমিট ইত্যাদি

২৭. যাত্রী ও মালবাহী পরিবহন কমিটি

  • পরিবহন নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা ও মহানগর পর্যায়ে কমিটি গঠিত হবে।

২৮. রুট পারমিট

  • গণপরিবহন বা বাণিজ্যিক যানের জন্য রুট পারমিট প্রয়োজন।

২৯. বিদেশী নাগরিকের রুট পারমিট

  • বিদেশী যানের জন্য বিশেষ পারমিট প্রয়োজন।

৩০. রুট পারমিট থেকে অব্যাহতি

  • নির্দিষ্ট যান (যেমন, সরকারি যান) পারমিট থেকে অব্যাহতি পেতে পারে।

৩১. মোটরযানের বাণিজ্যিক ব্যবহার

  • বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে।

অধ্যায় ৬: মোটরযান নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি

৩২. সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ

  • সরকার সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করতে পারে।

৩৩. মোটরযানের সংখ্যা নির্ধারণ

  • নির্দিষ্ট রুটে যানের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

৩৪. গণপরিবহনের আসন ও ভাড়া

  • আসন সংখ্যা ও ভাড়া নির্ধারণ কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারে।

৩৫. চুক্তিবদ্ধ যানের মিটার

  • ট্যাক্সিক্যাব বা চুক্তিবদ্ধ যানে মিটার ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

৩৬. অর্থনৈতিক জীবনকাল

  • যানের অর্থনৈতিক জীবনকাল নির্ধারণ করা যেতে পারে।

৩৭. অবৈধ স্থাপনা অপসারণ

  • মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হবে।

৩৮. টার্মিনাল উন্নয়ন ও চাঁদাবাজি নিষিদ্ধ

  • টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা উন্নত করা হবে এবং চাঁদাবাজি নিষিদ্ধ।

৩৯. কাজের সময়

  • চালক ও কন্ডাক্টরের কাজের সময় নির্ধারণ করা হবে।

অধ্যায় ৭: মোটরযানের নির্মাণ, সরঞ্জাম বিন্যাস ও রক্ষণাবেক্ষণ

৪০. নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ

  • মোটরযানের নির্মাণ, সরঞ্জাম বিন্যাস ও রক্ষণাবেক্ষণ বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

অধ্যায় ৮: ট্রাফিক ও ওজন সীমা নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি

৪১. ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ

  • ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সরকার বা কর্তৃপক্ষ নির্দেশনা জারি করতে পারে।

৪২. ট্রাফিক সংকেত ও চিহ্ন

  • সংকেত ও চিহ্ন মেনে চলা বাধ্যতামূলক।

৪৩. অ্যাক্সেল ওজন নিয়ন্ত্রণ

  • অতিরিক্ত ওজন বহন নিষিদ্ধ।

৪৪. গতি সীমা

  • নির্ধারিত গতি সীমা মেনে চলতে হবে।

৪৫. শব্দ সীমা

  • অতিরিক্ত শব্দ উৎপাদনকারী যান বা হর্ন ব্যবহার নিষিদ্ধ।

৪৬. পরিবেশ দূষণ

  • পরিবেশ দূষণকারী বা ঝুঁকিপূর্ণ যান চালানো নিষিদ্ধ।

৪৭. পার্কিং ও স্টপিং

  • নির্ধারিত স্থানে পার্কিং বা স্টপিং করতে হবে।

৪৮. মহাসড়কের ব্যবহার

  • উচ্চগতির যানের জন্য মহাসড়ক ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত।

৪৯. চলাচলের নির্দেশনা

  • সাধারণ নির্দেশনা মেনে যান চালাতে হবে।

৫০. দায়ী কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

  • অপরাধের জন্য দায়ী কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

৫১. দাহ্য পদার্থ পরিবহন

  • দাহ্য পদার্থ পরিবহনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

অধ্যায় ৯: দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও বীমা

৫২. ক্ষতিপূরণ

  • দুর্ঘটনায় ভুক্তভোগী বা তাদের পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবেন।

৫৩. আর্থিক সহায়তা তহবিল

  • ক্ষতিপূরণের জন্য তহবিল গঠন করা হবে।

৫৪. ট্রাস্টি বোর্ড

  • তহবিল পরিচালনার জন্য ট্রাস্টি বোর্ড গঠিত হবে।

৫৫-৫৮. তহবিল ব্যবস্থাপনা ও আবেদন

  • তহবিলের হিসাব, নিরীক্ষা, আবেদন প্রক্রিয়া ও সভা নিয়ন্ত্রিত হবে।

৫৯. বীমা

  • গণপরিবহন ও যাত্রীদের জন্য বীমা বাধ্যতামূলক।

৬০. পর্যালোচনা, আপিল ও সালিস

  • ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।

৬১. চিকিৎসা

  • দুর্ঘটনায় আহতদের জরুরি চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।

অধ্যায় ১০: প্রশিক্ষণ স্কুল, মেরামত কারখানা ও ডাম্পিং ইয়ার্ড

৬২. মোটরযান চালনা প্রশিক্ষণ স্কুল

  • প্রশিক্ষণ স্কুল নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারে।

৬৩. মোটরযান মেরামত কারখানা

  • মেরামত কারখানা নিবন্ধন ও বিধি মেনে পরিচালিত হবে।

৬৪. ডাম্পিং ইয়ার্ড

  • ব্যবহার অনুপযোগী যানের জন্য ডাম্পিং ইয়ার্ড স্থাপন করা হবে।

অধ্যায় ১১: অপরাধ, বিচার ও শাস্তি

৬৫-১০৮. বিভিন্ন অপরাধের শাস্তি

এই ধারাগুলোতে বিভিন্ন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান বর্ণিত হয়েছে। কিছু উল্লেখযোগ্য অপরাধ ও শাস্তি:

  • ধারা ৬৫: ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া যান চালানো – ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০,০০০ টাকা জরিমানা।
  • ধারা ৬৬: গণপরিবহনের জন্য অনুমতি ছাড়া চালানো – ৬ মাস কারাদণ্ড বা ১,০০,০০০ টাকা জরিমানা।
  • ধারা ৭৫: নিবন্ধন ছাড়া যান চালানো – ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০,০০০ টাকা জরিমানা।
  • ধারা ৮৪: অতিরিক্ত ভাড়া দাবি – ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২৫,০০০ টাকা জরিমানা।
  • ধারা ৯০: গতি সীমা লঙ্ঘন – ১ মাস কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা।
  • ধারা ৯৮: দুর্ঘটনায় মৃত্যু – ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

১০৯. কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ

  • কোম্পানির কর্মকর্তারা অপরাধের জন্য দায়ী হবেন।

অধ্যায় ১২: পর্যালোচনা ও আপিল

১১০. পর্যালোচনা ও আপিল

  • কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করা যাবে।

অধ্যায় ১৩: কার্যপ্রণালী

১১১. বিশেষ পদ্ধতি

  • নির্দিষ্ট অপরাধের বিচার দ্রুত পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।

১১২. মোটরযান থামানো ও নথি পরীক্ষা

  • পুলিশ বা অনুমোদিত কর্মকর্তা যান থামিয়ে নথি পরীক্ষা করতে পারেন।

১১৩. ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার

  • গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করা যাবে।

১১৪-১১৭. জব্দ, জরিমানা ও তদন্ত

  • নথি বা যান জব্দ, স্থানে জরিমানা আরোপ এবং তদন্তের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

১১৮. অপরাধের প্রকৃতি

  • বেশিরভাগ অপরাধ সনাক্তযোগ্য, জামিনযোগ্য ও সমঝোতাযোগ্য।

অধ্যায় ১৪: বিবিধ

১১৯. তথ্য প্রদানের বাধ্যবাধকতা

  • কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মানা ও তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক।

১২০. আক্রমণাত্মক আচরণ নিয়ন্ত্রণ

  • জনরোষ বা আক্রমণাত্মক আচরণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১২১. ক্ষমতা অর্পণ

  • সরকার বা কর্তৃপক্ষ ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে।

১২২. ডিজিটাইজেশন

  • নিবন্ধন, লাইসেন্স ও অন্যান্য প্রক্রিয়া ডিজিটাল করা হবে।

১২৩-১২৪. বিধি ও প্রবিধান প্রণয়ন

  • সরকার বিধি ও প্রবিধান প্রণয়ন করতে পারে।

১২৫. বাতিল ও সংরক্ষণ

  • পূর্ববর্তী মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ বাতিল করা হয়েছে, তবে এর অধীনে জারি করা নথি বৈধ থাকবে।