টোল রোডগুলো কেবল শহর ও দেশের অর্থনৈতিক অঙ্গ হিসেবে কাজ করে না, এরা হলো আধুনিক বিশ্ববাণিজ্য ও যাতায়াতের প্রাণনালিকা। দ্রুত নগরায়ন, ব্যাপক জনবহুলতা এবং বাণিজ্যিক প্রবাহের সাথে সাথে এ রাস্তাগুলিতে যানজটের সমস্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানে আমরা এমন ১০টি টোল রোডের তালিকা তুলে ধরছি, যা প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহনের ব্যস্ততা সহ্য করে এবং যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তবু ধীরগতির ট্রাফিক একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এসব রাস্তায়, সময় কখনো দ্রুত গড়ায় না; বরং ধীরে ধীরে অতিক্রম করতে হয়, যার ফলে চালকদের ধৈর্যের পরিক্ষা শেষে যেতে হয়। চলুন, আমরা গভীর বিনির্মাণ ও বাস্তবিক সমস্যাসমূহ তুলে ধরতে এগুলোকে বিশ্লেষণ করি এবং দেখি কোন পথে কেন যানজটের রাজত্ব বিরাজ করে।
১. G4 বেইজিং-হংকং-মাকাও এক্সপ্রেসওয়ে, চীন
প্রায় ২,২৫০ কিমি বিস্তৃত এই এক্সপ্রেসওয়ে চীনের রাজধানী বেইজিং থেকে শেনঝেনের নিকটবর্তী অঞ্চল এবং অতঃপর হংকং ও মাকাও পর্যন্ত বিস্তৃত। ব্যবহারকারীদের সংখ্যা এখানে প্রতিদিন ১,০০,০০০ এরও বেশি, বিশেষ করে গুয়াংঝু, শানঝেই এবং অন্যান্য প্রধান নগরাঞ্চলে। ২০০৪ সালে উদ্বোধিত, আট-লেনের এই রাস্তাটি ছুটির দিনে বা তাত্ক্ষণিক বাণিজ্যিক সময়ে পূর্ণ হয়ে ওঠে, যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বন্ধ থাকা গাড়ির সারি দেখা যায়। উন্নত ইলেকট্রনিক টোল পেমেন্ট ও ট্রাফিক মনিটরিং সিস্টেম থাকলেও, দ্রুত নগরায়ন ও ব্যাপক মানুষের যাতায়াতের চাপের কারণে এই রাস্তায় যানজট নিয়ন্ত্রণে আনা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়াও ধূম্রতা, হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং ভবিষ্যতে আরও দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা চালকদের জন্য অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করে।
২. পেনসিলভেনিয়া টার্নপাইক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ওহায়ো থেকে নিউ জার্সিকাকে একত্রিত করে বিস্তৃত এই ৫৮০ কিমি দীর্ঘ টার্নপাইক, ১৯৪০ সালে চালু হলেও এখনো এর জনপ্রিয়তা অটুট রয়েছে। এখানে গাড়ির জন্য টোল ফি প্রায় $১১২ হওয়ায় এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল টোল রোড হিসেবে পরিচিত। ছয়-লেনের সুসংগঠিত এই রাস্তাটি পিটসবার্গ, হ্যারিসবার্গ ও ফিলাডেলফিয়া সহ নানা অর্থনৈতিক কেন্দ্রকে একত্রিত করে, তবে ট্রাক, কমিউটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির অতিরিক্ত চাপের কারণে বিশেষ করে শীতের তুষারপাত অথবা গ্রীষ্মের নির্মাণকাজের সময় চলাচলে ব্যাপক বিলম্ব ঘটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে, টোল প্লাজা ও কার্ড পেমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে যানজটের কিছুটা সমাধান হলেও, লোকজনের দৈনন্দিন যাত্রা ও সময়সীমার উপর প্রভাব পড়ে যা ঐ অঞ্চলের ব্যবসা এবং ব্যক্তিগত জীবনে অপ্রীতির সৃষ্টি করে।
৩. M1 মোটরওয়ে, পাকিস্তান
পেশাওয়ার থেকে করাচী পর্যন্ত প্রায় ১৫৫৭ কিমি বিস্তৃত M1 মোটরওয়ে পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোর একটি। ২০০৭ সালে উদ্বোধিত এই ছয়-লেনের টোল রোড প্রতিদিন প্রায় ৮০,০০০ যানবাহনের চলাচল লক্ষ্য করা যায়, যা মূলত শিল্প, বাণিজ্য ও বিদেশী বিনিয়োগের জন্য অপরিহার্য। ভারী ট্রাক ও মালবাহী যানবাহনের চাপ, নগদের প্রচলিত নগদ পেমেন্ট পদ্ধতি এবং মৌসুমি বন্যার কারণে এই রাস্তায় যানজটের সমস্যা ব্যাপকভাবে দেখা যায়। এছাড়াও ধূলিকণা ও কম দৃশ্যমানতার মাধ্যমে হঠাৎ দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়, যা পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সেতুবন্ধনকে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়।
৪. ওয়েস্টকনেক্স, অস্ট্রেলিয়া
সিডনির আধুনিক অবকাঠামোর অংশ হিসেবে নির্মিত এই ২২.৪ কিমি দৈর্ঘ্যের ওয়েস্টকনেক্স টোল টানেল ২০২৩ সালে উদ্বোধিত হয়। হোমবাশ থেকে কিংসগ্রোভ পর্যন্ত সংযোগ তৈরি করে, এই টানেল শহরের প্রধান রাস্তাঘাটের একটি বিকল্প হিসেবে কাজ করলেও, দিনের বিভিন্ন সময়ে ১০০,০০০ এর বেশি যানবাহন এখানে চলাচল করে। গ্রীষ্মের ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যার ফলে র্যাম্পগুলিতে পানি জমে যাওয়া, ইলেকট্রনিক টোল সিস্টেমের মাঝে বিরক্তিকর বিলম্ব এবং বিশেষ করে পিকআওয়ার সময় অতিরিক্ত চাপের কারণে এই রাস্তার ব্যবহারকারীদের জন্য এক অনিবার্য ধৈর্যের পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিদিন এই রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও থাকে, যার ফলে অনেক চালক বিকল্প রুট বেছে নেয়ার চেষ্টা করে।
৫. নিউ জার্সি টার্নপাইক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
দেলাওয়্যার থেকে নিউ ইয়র্ক পর্যন্ত প্রায় ১৯৬ কিমি বিস্তৃত এই টোল রোড ১৯৫১ সালে চালু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার বাণিজ্যিক এবং ব্যক্তিগত যাতায়াতের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ১২-লেনের সুসংগঠিত এই পথ প্রতিদিন প্রায় ২৫০,০০০ যানবাহন চলাচল করে, বিশেষ করে নিউয়ার্ক ও হাডসন নদীর আশেপাশে দেখা যায় ব্যাপক যানজট। শীতকালে তুষারপাত, হিমবাহ ও দূর্লভ আবহাওয়ায় এই রাস্তাটি আরও ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়। উন্নত ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম যেমন ই-জেডপাস ব্যবহার করে কিছুটা হলেও ব্যস্ততা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তবে সর্বাধিক সময় এই রাস্তায় যানজটের কারণে বহু ঘন্টা সময় নষ্ট হয়ে যায়।
৬. জাগোরাওই টোল রোড, ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়ার প্রথম টোল রোড হিসেবে পরিচিত, জাগোরাওই টোল রোড জাকার্তা থেকে বোগর পর্যন্ত প্রায় ৫৯ কিমি বিস্তৃত। ১৯৭৮ সালে উদ্বোধিত এই রাস্তাটি আধুনিক নগরের ব্যস্ততার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত। প্রতিদিন এখানে প্রায় ৩০০,০০০ যানবাহনের চলাচল ঘটে, যেখানে চার-লেনের পথটি কর্মচারী, মালবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের ফলে সারায় ভরা থাকে। ২০১৭ সালে ইলেকট্রনিক টোল সিস্টেম চালু হলেও, এটি নগরের বেড়াজাল মোকাবেলায় খুবই সীমিত সমাধান দিতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে ট্রাফিকের মৌসুমি পরিবর্তন, বৃষ্টির ঢেউ এবং সড়কের নতুনত্ব ও প্রাচীনতার মিশ্রণে প্রতি দিন চালকদের জন্য এক অসংখ্য চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করে।
৭. মুম্বাই-পুনে এক্সপ্রেসওয়ে, ভারত
ভারতের অর্থনৈতিক ও শিল্প কেন্দ্র মুম্বাই ও পুনের মাঝে ৯৪ কিমি দৈর্ঘ্যের এই এক্সপ্রেসওয়ে ২০০২ সালে উদ্বোধিত হয়। বর্তমানে এই ছয়-লেনের টোল রোডে দৈনিক প্রায় ৫০,০০০ যানবাহন চলাচল করে, যা দেশের প্রধান ব্যবসায়িক সেতুবন্ধনের অন্যতম। মৌসুমি ভারঝড় ও ভূমিধসের কারণে প্রায়ই পথ অবরুদ্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও, ক্যাশ বেসড টোল পেমেন্ট পদ্ধতি এবং নিরাপত্তার স্বল্পতা যানজটকে আরও বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে চালকদের জন্য বিকল্প রুট বেছে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়। উন্নত ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম যেমন FASTag ব্যবহার চর্চা করার মাধ্যমে কিছুটা হলেও পরিষেবা উন্নয়ন চেষ্টা করা হয়েছে, তবে মোটেই এর গতি অপরিবর্তিত রাখতে পারেনি।
৮. A1 মোটরওয়ে, ক্রোয়েশিয়া
ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগরেব থেকে স্প্লিট পর্যন্ত প্রায় ৪৭৮ কিমি বিস্তৃত A1 মোটরওয়ে ২০০৫ সালে উদ্বোধিত হওয়ার পর থেকে দেশের প্রধান ট্রাফিক সেতুবন্ধনের অন্যতম হয়ে উঠেছে। সাধারণত এই রাস্তায় প্রতিদিন প্রায় ৪০,০০০ যানবাহন চলাচল করে, তবে ছুটির মৌসুমে ও তীক্ষ্ণ উৎসব ও পর্যটনীয় কার্যক্রম থাকলে সংখ্যাটি বেড়ে ৬০,০০০ যানবাহনে পরিণত হয়। পর্যটকদের আগমন, ভারী ট্রাকের চলাচল, তীব্র কুয়াশা, বাতাসের প্রলয় ও প্রবল ঝড় এই রাস্তায় যানজটের অন্যতম কারণ। ইলেকট্রনিক টোল পেমেন্ট ও পর্যাপ্ত ট্রাফিক সিগন্যাল সত্ত্বেও, তফসিল অনুযায়ী এই রাস্তায় ভীড়টি প্রায়শই দীর্ঘসময় স্থায়ী হয়।
৯. ফ্লোরিডার টার্নপাইক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মায়ামি থেকে ওয়াইল্ডউড পর্যন্ত প্রায় ৪৯৭ কিমি বিস্তৃত এই আট-লেনের টার্নপাইক ১৯৫৭ সালে উদ্বোধিত হয়। প্রায় ২০ লাখ যানবাহন প্রতি মাসে এই রাস্তায় চলাচল করে, যার ফলে বিশেষ করে পর্যটক, কমিউটার ও ভারী মালবাহী যানবাহনের সম্মিলিত চাপে রাস্তা প্রায় প্রতিদিন জ্যাম হয়ে যায়। গ্রীষ্মকালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন হারিকেন বা অভ্যন্তরীণ বৃষ্টিপাতের সময় এই রাস্তায় অতিরিক্ত চাপ পড়ে। উন্নত ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম যেমন SunPass ব্যবহার করা হলেও, শহুরে বিস্ফোরণ ও রাস্তার প্রাকৃতিক অবস্থা যানজটের সমস্যা থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করতে পারেনি।
১০. MEX এক্সপ্রেসওয়ে, মালয়েশিয়া
কুয়ালালামপুরের কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক এলাকা থেকে পুতরাজা পর্যন্ত প্রায় ৪৮ কিমি বিস্তৃত MEX এক্সপ্রেসওয়ে ২০০৭ সালে উদ্বোধিত হয়েছে। চার-লেন বিশিষ্ট এই রাস্তায় প্রতিদিন প্রায় ৭০,০০০ যানবাহন চলাচল করে, যা মালয়েশিয়ার দ্রুত বিকাশশীল নগরায়নের অন্যতম প্রতীক। এখানে প্রাতঃরাশ ও পিক সময়ে রাস্তা পুরোপুরি ভীড়ে ভরে যায়, বিশেষ করে ট্রাফিকের কারণে প্রায়ই বিলম্ব হওয়ার ঘটনা ঘটে। ইলেকট্রনিক “টাচ ‘এন গো” টোল সিস্টেম থাকলেও, বৃষ্টি এবং নগর বিস্তার, সঙ্গে সড়কের কোমল এবং কখনোপূর্ণ আক্ষেপের কারণে দিনের সর্বোচ্চ সময়ে এই রাস্তায় অতিরিক্ত যানজট দেখা যায়।
উপসংহার
এই ১০টি সর্বাধিক জনাকীর্ণ টোল রোড কেবল যোগাযোগের সেতুবন্ধনই নয়, বরং প্রতিদিনের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রবাহের প্রাণশক্তি হিসেবে কাজ করে। এগুলোতে একদিকে যেমন আধুনিক অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়নের চিহ্ন পাওয়া যায়, অন্যদিকে একই রাস্তায় ভীড়ের কারণে চালকদের ধৈর্য পরীক্ষা ও সময়ের মূল্য নতুনভাবে চিহ্নিত হয়। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, ইলেকট্রনিক পেমেন্টের সহজলভ্যতা ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে যাতায়াতের অভিজ্ঞতা কিছুটা হলেও উন্নয়নের চেষ্টা করা হলেও, নগরায়ন ও জনগণের চাহিদা যে কতটা দ্রুত বেড়ে উঠছে তা স্পষ্ট। এই রাস্তাগুলোতে যানজট কেবল এক শারীরিক বাধা নয়, বরং উন্নয়নের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাধানের আহ্বান, যেখানে পরিকল্পিত অগ্রগতি অর্জিত হতে পারে এবং চলমান প্রযুক্তির সাহায্যে এক সমাধান খোঁজা যেতে পারে।
আপনারা যখন পরবর্তী যাত্রাপথ নির্বাচন করবেন, তখন হয়তো এই রাস্তাগুলো থেকেই সঠিক সময় ও বিকল্প রুট বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন। উন্নত নগরায়ন, বসবাসের উন্নতি ও পরিকল্পিত অবকাঠামো যদি অনুষ্ঠিত হয়, তবে শিল্পস্থলে ধীরগতির যানজটও এক সময় হ্রাস পাবে। তবুও, এই জনাকীর্ণ টোল রোডগুলো আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে প্রগতির সাথে আপনাদের ধৈর্য, পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির সমন্বয় অপরিহার্য।
আপনার পরবর্তী যাত্রাপথ কোনটি হবে? যখনই আপনি এগিয়ে যাবেন, মনে রাখবেন—প্রতিটি রাস্তায় নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন চ্যালেঞ্জ ও নতুন সমাধানের দিক থেকে প্রেরণা রয়েছে। পরিকল্পিত যাত্রা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, এবং বিকল্প রুটের খোঁজ নিলে ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিন্ত ভ্রমণের স্বপ্ন আপনার হাত ছুঁয়ে যাবে।
লেখক পরিচিতি
মারুফ রহমান রূপসা টায়ার্সের পরিচালক এবং আইটি ও মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ। তিনি সড়ক, পরিবহন ব্যবস্থা ও যানবাহন সম্পর্কিত বিষয়ে নিয়মিত লিখেন। তার বিশেষ আগ্রহের বিষয়বস্তু পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, ইতিহাস, পর্যটন ও সড়ক নিরাপত্তা। তার লেখনীতে সড়ক নিরাপত্তা ও যানবাহনের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। তার লেখার মাধ্যমে সড়ক ও পরিবহন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন।
Connect with Maruf:
Facebook | X (Twitter) | LinkedIn | Medium

https://shorturl.fm/OHoeC